ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বৈঠকের সময় সন্ধ্যা থেকে সকালে পরিবর্তন করা হলেও তা জেনে যায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খামেনির অবস্থান ও বৈঠক নিয়ে কয়েক মাস ধরে নজরদারি চালানো হচ্ছিল। প্রথমে বৈঠকটি শনিবার সন্ধ্যায় হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা সকালে করা হয়। তবে গোয়েন্দারা তেহরানের একটি উচ্চ-নিরাপত্তা কম্পাউন্ডে সকালের বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলার সময় এগিয়ে আনে। ভোরের দিকে অভিযান শুরু হয় এবং সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে।
হামলায় খামেনিসহ ইরানের কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় দেশটিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, তারা এ হামলার প্রতিশোধ নেবে। একই সঙ্গে দেশটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করা হয়েছে।
