ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষ হয়ে আসায় রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। আগামীকাল থেকে অনেক সরকারি ও বেসরকারি অফিস খুলবে। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস ও ট্রেনে করে ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। তবে এখনো রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে বড় ধরনের যানজট বা অতিরিক্ত ভিড় দেখা যায়নি।
রাজধানীর প্রধান প্রবেশপথগুলো, বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় ঢাকায় ফেরা মানুষের মাঝারি ধরনের ভিড় দেখা গেছে।
এ বছর সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন।পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে পোশাকশ্রমিকরা ফিরতে শুরু করলে ঢাকামুখী সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে।কুমিল্লা থেকে আসা সরকারি চাকরিজীবী আহমেদ ফোরকান বলেন, আগামীকাল অফিস খুলবে, তাই আজই ঢাকায় চলে এলাম।
কমলাপুর রেলস্টেশনেও সারাদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেন এসে পৌঁছেছে। তবে যাত্রীদের এই চাপ এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে। যদিও কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেছেন, কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে পৌঁছেছে।
এদিকে রাজধানীর সড়কগুলোতেও যানবাহনের চলাচল বাড়তে শুরু করেছে। গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাও বেড়েছে। তবে এখনো কোথাও বড় ধরনের যানজট বা ট্রাফিক সিগন্যালে দীর্ঘ সারি দেখা যায়নি।কর্মকর্তারা মনে করছেন, আগামী তিন থেকে চার দিন রাজধানীতে ট্রাফিকের চাপ তুলনামূলক কম থাকতে পারে।
বিভিন্ন মোড়ে এআইচালিত (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) নজরদারি ক্যামেরার তত্ত্বাবধানে যানবাহনগুলোকে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে দেখা গেছে।আগের মতো অনেক চালককে আর হঠাৎ করে লাল বাতি অমান্য করতে দেখা যাচ্ছে না। ফলে রাজধানীর সড়কে আগের তুলনায় কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
