অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, সাইবার অপরাধ ও মার্কেট ম্যানিপুলেশন রোধে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাল্টিপারপাস হলে “স্থিতিশীল পুঁজিবাজার: অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল/সিএফটি) সংক্রান্ত আইনের পরিপালন এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি” শীর্ষক এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ডিএসই যৌথভাবে কর্মশালাটি আয়োজন করে। ডিএসই ব্রোকারেজ হাউজের ক্যামেলকো প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
ডিএসইর রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক ও ভারপ্রাপ্ত সিআরও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূইয়াঁ এফসিএসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফআইইউ পরিচালক সৈয়দ কামরুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওহিদুল ইসলাম।
স্বাগত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম ভূইয়াঁ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় পুঁজিবাজার এখন অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, সাইবারভিত্তিক আর্থিক অপরাধ, ইনসাইডার ট্রেডিং ও মার্কেট ম্যানিপুলেশনের মতো বহুমাত্রিক ঝুঁকির সম্মুখীন। এসব অপরাধ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
প্রধান অতিথি সৈয়দ কামরুল ইসলাম বলেন, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশাসনভিত্তিক পুঁজিবাজার গড়তে এএমএল/সিএফটি বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা মেনে চলা এখন অপরিহার্য, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথি মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, অবৈধ অর্থপ্রবাহ ও মানিলন্ডারিং বাজারের স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। এই পরিস্থিতিতে এএমএল/সিএফটি কাঠামোর কার্যকর বাস্তবায়ন ছাড়া একটি সহনশীল ও আস্থানির্ভর পুঁজিবাজার গঠন সম্ভব নয়।
কর্মশালার চারটি ওয়ার্কিং সেশন পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন, উপ-পরিচালক মেহেদী হাসান, উপ-পরিচালক মো. রফিকুন্নবী এবং যুগ্ম পরিচালক শাহ আলম কাজী।
.jpg)