বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক-এগারোর ঘটনার অন্যতম উসকানিদাতা বলে দাবি করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তার প্রশ্ন, ড. ইউনূসের এক-এগারোর ষড়যন্ত্র, অবৈধ বিদেশি চুক্তি, কর ফাঁকি আর অসংখ্য অবৈধ সুবিধা গ্রহণের বিষয়ে ন্যায়বিচার কি পাওয়া যাবে?
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন প্রশ্ন তোলেন মো. তারেক রহমান। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আসন বিএনপি ছাড় দিয়েছে, এটি দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বলে দাবি তার।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘এক-এগারোর ঘটনার অন্যতম উসকানিদাতা ড. ইউনূস।
যখন দেখছে অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব নিতে হবে তখন দায়িত্ব নেননি। ২৪-এ এসে স্বপ্ন ছিল ১০ বছর ক্ষমতায় থাকবেন, অন্তত ২৯ সাল পর্যন্ত যেন থাকতে পারেন।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আদায় করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঘাম ছুটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আর বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে বুঝতেন জামায়াত-এনসিপি কয়টা আসন পায়।
এ দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বিএনপি ছাড় দিয়েছে জামায়াত আমির ও এনসিপির আমিরের আসনে।’
এনসিপি-জামায়াত ও সাবেক এক উপদেষ্টার বক্তব্য টেনে মো. তারেক বলেন, ‘নষ্ট পাটোয়ারীকে দিয়ে বলিয়েছিল, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। শফিকুর রহমান মাসুদ জামায়াতের প্রোগ্রামে বলেছিলেন নির্বাচন হতে দেবেন না। নায়িকা উপদেষ্টা বলেছিলেন, তারা তো এক দলের কাছ থেকে অন্য দলের কাছে ক্ষমতা দিতে এখানে দায়িত্ব নেননি।
জমিদারের নাতি বলেছিলেন, ইউনূসকে ৫ বছর দেখার আকাঙ্ক্ষা তার। এসব কথা ড. ইউনূস পোলাপানকে দিয়ে বলিয়েছিলেন বিভিন্ন সময়।’
আমজনতার দলের এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের যে জাল এঁকেছিল রাজাকার ও রাজাকার শাবকরা। তা জনগণের চেষ্টায় ছিন্নভিন্ন হয়েছে।’
ড. ইউনূসের এক-এগারোর ষড়যন্ত্র, অবৈধ বিদেশি চুক্তি, কর ফাঁকি আর অসংখ্য অবৈধ সুবিধা গ্রহণের বিষয়ে ন্যায়বিচার কি পাওয়া যাবে? এমন প্রশ্ন করেন তারেক।
তিনি বলেন, ‘অন্তত হামের টিকা জালিয়াতিতে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ নূরজাহানকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’
