পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ইফতারের দাওয়াত দিতে আমরা সচিবালয়ে এসেছিলাম। তারসঙ্গে কুশল বিনিময় এবং পারস্পারিক আলোচনা হয়েছে। এ সময় আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের অসুস্থতার কথা শুনে তিনি ফোনে তার সঙ্গেও কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাওয়াত কবুল করেছেন এবং যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। আমাদের আমির টেলিফোনে তাকে স্ত্রী ও সন্তান জায়মা রহমান সহ স্বপরিবারে যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন। আমরা উভয়কেই দাওয়াতপত্র দিয়েছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের প্রথম অফিসিয়াল সাক্ষাৎ ছিল এটি। দেশটা যেন মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিচালিত হতে পারে, আমরা সেই আহ্বান জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী সরকারের আকাঙ্খার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, নতুন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নতুন পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছেন-সেটা নিয়েও মতবিনিময় করলেন। তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আগের ‘ব্যাডপ্রাকটিস’ গুলো যাতে না থাকে, সরকারি দল ও বিরোধীদলের সমন্বয় ও সংহতি এবং রাজনীতিতে সকল বিতর্কের জায়গা যেন পার্লামেন্ট হয়, রাজনীতিতে সহযোগিতা-বিতর্ক সংসদেই হোক, ময়দানের রাজনীতি-সেটাও নিয়মতান্ত্রিকভাবে, মূলত পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসির মূল আলোচনা, সে সম্পর্কে কিছু সংক্ষিপ্ত আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় হয়েছে।
সাংবাদকিদের প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ডেপুটি স্পিকার, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টসহ আরো যেসব বিষয় আছে, তা বলা যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও প্রেস ব্রিফিংকালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম উপস্থিত ছিলেন।
